আমার শহর শিলিগুড়িঃ পেশায় শিক্ষক”সমীরণ রাজবংশী” তাঁর বৈচিত্রময় সঙ্গীতের কারনে আজ ফেসবুকে একটি অতি পরিচিত নাম। মুর্শিদাবাদ জেলার টেঁয়া গ্রাম তার আদি নিবাস হলেও বর্তমানে তিনি শিলিগুড়ির বাসিন্দা এবং শিলিগুড়ির তরাই তারাপদ আদর্শ বিদ্যালয়ে বাংলা বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত। কিশোর বেলায় পড়াশোনা ও কেরিয়ার গঠনের অভিপ্রায়ে প্রথাগতভাবে তাঁর গান শেখা হয়ে ওঠেনি। তবে ছেলেবেলা থেকেই গানবাজনার প্রতি তাঁর বিশেষ আকর্ষণ ছিল। আর এই আকর্ষনই তাকে নিত্য নতুন আঙ্গিকে সঙ্গীত পরিবেশনে প্রেরণা দিয়েছে। শিক্ষা দানের মতো মহৎ কর্মের পাশাপাশি তিনি সঙ্গীতানুরাগী ছাত্র-ছাত্রীদের উৎসাহিত ও অনুপ্রাণিত করার উদ্দেশ্যে প্রতিনিয়ত নানান শৈলীতে সঙ্গীত পরিবেশন করে চলেছেন। যে শৈলী তাঁর একান্তভাবে নিজস্ব। ফেসবুক-বন্ধুদের মনোরঞ্জনের জন্য ফেসবুক নামক সোস্যাল সাইটের মাল্টিমিডিয়া বিনোদনের জগতে গানের বিষয়বস্তু অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন সাজে সজ্জিত হয়ে গান উপস্থাপনার মাধ্যমে তিনি বেশ জনপ্রিয়তাও অর্জন করেছেন। রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল গীতি ও লোকগীতির প্রতি বিশেষ আকর্ষণ থাকলেও দর্শকবৃন্দের অনুরোধে তিনি সবধরনের গান পরিবেশনের চেষ্টা করেন। আর এই বৈচিত্র্যময়তাই তাঁর গানের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। শুধু গানই নয় তাঁর আবৃতি পরিবেশনও যথেষ্ট প্রশংসার দাবী রাখে।
আধুনিক যুগে শুধু মাত্র প্রথাগত শিক্ষায় শিক্ষিত কিছু ভিন্ন মানসিকতা সমীরণ স্যারের সমালোচনা করলেও তিনি কিন্তু থেমে থাকেননি। গানের মাধমেই তিনি তার উত্তর দিয়েছেন। যার প্রমান পাওয়া যায় ফেসবুকে তার অসংখ্য দর্শক-শ্রোতার সমর্থন এবং বাহবায় । করোনা নিয়ে কোন গান গাইবেন কি না এবিষয়ে স্যারকে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান -“পৃথিবী জুড়ে মৃত্যুর বিভীষিকা। এইঅবস্থায় গান গাওয়াটা সত্যিই কষ্টকর।” তবে পৃথিবীর সুস্থতার কামনায় খুব শীঘ্রই তিনি আমাদের নতুন কোন গান উপহার দেবেন এই আশা রাখি।
সমীরণ রাজবংশী স্যারের গান শুনতে হলে নীচের লিঙ্কে ক্লিক করুন।
https://www.facebook.com/samiran.rajbanshi.10