আমার শহর শিলিগুড়িঃ করোনা সংক্রমণ এবং তার প্রভাবের উপর ভিত্তি করে কেন্দ্র সরকার সমগ্র দেশের জেলাগুলোকে রেড,অরেঞ্জ এবং গ্রীন জোনে ভাগ করেছে। কেন্দ্র সরকারের এই নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের জোন ভাগ নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক দেখা দিয়েছে। কেন্দ্রের তালিকা অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে রেড জোন ১০ টি। কিন্তু রাজ্যের মতে রেড জোন ৪ টি। আর এই নিয়েই শুরু হয়েছে বিতর্ক। কেন্দ্রের তালিকায় দেশের ১৩০ টি রেড জোনভুক্ত জেলার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ১০ টি জেলা। দেশের ২৪৮ টি অরেঞ্জ জোনভুক্ত জেলার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ৫ টি জেলা। ৩১৯ টি গ্রীন জোনের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে ৮ টি জেলা। কেন্দ্রের নির্দেশিকায় করোনা সংক্রমণ এবং তার প্রভাব অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গের তালিকা নিম্নরূপ —
রেডজোনঃ
কলকাতা, হাওড়া,উত্তর ২৪ পরগণা,দক্ষিন ২৪ পরগণা,পূর্ব মেদিনীপুর, পশ্চিম মেদিনীপুর, দার্জিলিং,জলপাইগুড়ি,কালিম্পং এবং মালদহ।
অরেঞ্জ জোনঃ
হুগলি, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব বর্ধমান, নদীয়া এবং মুর্শিদাবাদ।
গ্রীণ জোনঃ
উত্তর দিনাজপুর,দক্ষিন দিনাজপুর,কোচবিহার,আলিপুরদুয়ার, বীরভূম,বাঁকুড়া,পুরুলিয়া এবং ঝারগ্রাম।
কেন্দ্রের এই নির্দেশিকায় আরো বলা হয়েছে কোন জোনে ২১ দিনের মধ্যে কোন করোনা সংক্রামিত রোগী পাওয়া না গেলেই তার স্থানের উন্নতি ঘটবে।
কিন্তু রাজ্য সরকার কেন্দ্রের এই নির্দেশিকার পালটা জবাব দিয়ে বলেছেন রাজ্যে ৪ টি রেড জোন,১০ টি নয়।
এপ্রসঙ্গে একটি কথা – করোনা সংক্রমণের প্রভাব এবং রোগী সংখ্যা যদি মাপকাঠি হয়, তবে আমার শহর শিলিগুড়ি কি সত্যিই রেড জোনে পড়ে?
আপনার মতামত কি?