আমার শহর শিলিগুড়িঃ প্রচণ্ড শক্তি নিয়ে ধেয়ে আসছে চলতি মৌসুমের প্রথম শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। শুরুতেই এটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে আছরে পড়ে ধীরে ধীরে বাংলাদেশ ও মায়ানমারে সাগরতীরবর্তী অঞ্চলে আঘাত হানতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাবে রবিবার ৩ রা মে ভোররাত্রি থেকে দক্ষিনবঙ্গে ভারী এবং উত্তরবঙ্গে কিছু অংশে হালকা ও মাঝারি বৃষ্টি শুরু হয়।
আবহাওয়া দপ্তর সুত্রে জানা যায়- বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সঙ্গে ঝড়ো হাওয়া থাকবে দুইদিন। এটি মৌসুমি বৃষ্টি। এদিকে ধেয়ে আসা বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড়টির উৎপত্তিস্থল ও গতিপথ নিয়ে আবহাওয়াবিদদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। তবে এটি যে যথেষ্ট শক্তিশালী এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বাংলাদেশ ও মায়ানমার উপকূলে আঘাত হানবে-তা নিয়ে প্রায় সকলেই একমত প্রকাশ করেছেন। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ আগামী ৫ মে এর পর তার গতিপথ কোনদিকে পরিবর্তন করে সেদিকেই চেয়ে আছেন আবহাওয়াবিদরা।
তাদের মতে বঙ্গোপসাগর ও ভারত মহাসাগরের বেশ কিছু এলাকাজুড়ে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’। ঘূর্ণিঝড়টি মধ্য বঙ্গোপসাগরে এসে শক্তি সঞ্চয় করতে পারে এবং যতই উত্তর পশ্চিমে অগ্রসর হবে ততই শক্তি অর্জন করতে থাকবে। এটি উড়িষ্যা উপকূলের কাছাকাছি সর্বোচ্চ শক্তি অর্জন করতে পারে-এমন ধারণাও করা হচ্ছে। যদিও উপকূলবর্তী অঞ্চল অতিক্রমের পর এটি কিছুটা শক্তিশালী হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ঘূর্ণিঝড়টির নাম ‘আম্ফান’ এবং এই নামকরণটি করেছে থাইল্যান্ড।