নবান্নে বৈঠক করে রাজ্যবাসীর জন্য বেশ কিছু ক্ষেত্রে লকডাউনে শিথিলের কথা ঘোষনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকে তিনি বলেন কেন্দ্রের কাছে পাওনা ৫২ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেও কোন লাভ নেই। কারন কিছুই পাওয়া যায় না। সব ক্ষেত্রেই রাজ্যকে খালি হাতে ফিরতে হয়। তাই রাজ্যের আর্থিক অবস্থাকে নতুন ভাবে গঠন করতে মুখ্যমন্ত্রী তিন মাসের সর্ট টার্ম প্ল্যান এর কথা বলেন।
জোন গুলোকে এ,বি,এবং সি-এই তিন ভাগে করবার কথা তিনি বলেন।
কোন কোন জোনে কি কি ছাড় তা পুলিশের রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ফিল্মের ক্ষেত্রে এডিটিং, মিক্সিং,ডাবিং প্রভৃতি সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কাজ করবে।
ইলেকট্রনিক, ইলেক্ট্রিক দোকান নিয়ম মেনে খুলতে পারবে। সকাল ৬ টা থেকে দুপুর ১২ টা পর্যন্ত প্রয়োজনীয় দোকান খোলা থাকবে।
রেস্তোরাঁ, হোটেল খোলা হবে কিন্ত কেউ বসে খেতে পারবে না। গ্রীন জোনে বাস ট্যাক্সি চলবে।
রেড জোন-বি সামাজিক দূরত্ব মেনে চললে বিশেষ ছাড় পাবে। এছাড়া ১০০ দিনের কাজের উপরেও তিনি অধিক জোড় দিয়েছেন।
তিনি আরো বলেন বাংলার শ্রমিকেরা বাংলাতেই থাকুক। এটা তাদের নিজের ভুমি। সময় একটু লাগবে তবে তারা সকলেই কাজ পাবে।
অর্থাৎ শেষ পর্যন্ত এই দাঁড়ায় যে- করোনা সঙ্কট স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত লক ডাউন যেমন চলছে তেমনই চলবে। শুধু শর্ত সাপেক্ষ কিছু ছাড় দেওয়া হবে।