আমার শহর শিলিগুড়িঃ করোনা মহামারী মোকাবিলায় লকডাউন এক নিমেষে সব পরিবর্তন করে দিল। সংক্রমণ যতই বাড়ছে, ততই জীবন, জীবিকা এবং পেশায় এক অদ্ভুত পরিবর্তন আমরা দেখতে পাচ্ছি। গৃহশিক্ষক থেকে শুরু করে স্বর্ণ ব্যবসায়ীর কিছু অংশকে দেখা যাচ্ছে সবজি বিক্রয় করতে। টোটো চালকরা যাত্রী পরিবহনের পরিবর্তে ফল বিক্রয় করছে।
এই তো গেল জীবন ও জীবিকার জন্য পেশাগত পরিবর্তন।
স্কুল কলেজ গুলো বন্ধ ১০ ই জুন পর্যন্ত। ছাত্র ছাত্রী দের পড়া-শোনাও প্রায় বন্ধ। এই অবস্থায় অধিকাংশ স্কুল কতৃপক্ষ অনলাইনের মাধ্যমে পড়ানো ব্যবস্থা করছে। যদিও এই নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কারনের সকলের গৃহে ইন্টারনেট এর পর্যাপ্ত সুবিধা নাও থাকতে পারে।
তবে এর ফলে চিত্রটা কিন্তু ভিন্ন হয়ে উঠেছে। চাপ বেড়েছে শিক্ষক-শিক্ষিকা দের। বিশেষ করে বেসরকারি স্কুল গুলোর। কারন শিক্ষক-শিক্ষিকারা রাত জেগে নিজে পড়ে পাঠ্য বিষয়ের সব কিছু তৈরী করে ছাত্র-ছাত্রী কাছে ভিডিও বা ভয়েস এর আকারে পাঠিয়ে দিচ্ছে। আর ছাত্র-ছাত্রী রা খুব সহজেই কোন বাড়তি চাপ ছাড়াই তা মোবাইলে হেড ফোন লাগিয়ে দেখছে বা শুনছে।
অর্থাৎ আসলে পড়ছে শিক্ষক-শিক্ষিকা আর আরাম করে তৈরী করা পাঠ্য আত্মস্থ করছে ছাত্র ছাত্রীরা।