আমার শহর শিলিগুড়িঃ বিধ্বংসী আম্ফানে দক্ষিনবঙ্গের অবস্থা ভয়াবহ। এখনো পর্যন্ত রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ৭২ জন। এর মধ্যে কলকাতাতেই মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের। সর্বত্র গাছ এবং লাইট পোস্ট উপড়ে পড়েছে। ধ্বসে পড়েছে বাড়ির দেওয়াল। উড়ে গিয়েছে ছাদ। এককথায় এক ভয়াবহ বিপর্যয় যা বিগত কালে দেখেনি রাজ্যবাসী।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে কন্ট্রোল রুম থেকে গোটা বিপর্যয় ব্যবস্থাপনা পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে প্রায় ভেঙে পড়েন। তিনি বলেন – সব শেষ। লক্ষ কোটি টাকার সম্পত্তি শেষ। চলছে মিটিং।গঠন করা হয়েছে টাস্ক ফোর্স। ইতিমধ্যে ১ হাজার কোটি টাকার একটি ফান্ডও তিনি ঘোষনা করেছেন। মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা দেবার কথাও ঘোষণাও তিনি করে দিয়েছেন। এই মুহূর্তে তিনি কেন্দ্রের কাছে সবরকম সাহায্যের আবেদন করেছেন তিনি।
বিপর্যয়ের দীর্ঘ সময় পার হবার পরও কেন্দ্রের তরফ থেকে কোন খবরই নেই। নেই কোন বার্তা। শুধু টুইট করে জানিয়েছেন বাংলার অবস্থার প্রতি আমরা নজর রাখছি। আমাদের সমবেদনা আছে। সাহায্যের আশ্বাস দিচ্ছি।

কেন্দ্র এতই বা সময় নিচ্ছে কেন? একটা টুইট — ব্যস সব দায়িত্ব শেষ?
ট্রাম্প এদেশে আসলে অনেক আগে থেকেই কোমর বেঁধে চলে প্রস্তুতি। খরচও হয় প্রচুর। অন্যান্য রাজ্যের দূর্যোগের সময়ও কেন্দ্র যথেষ্ট তৎপর থাকে। তবে বাংলার ক্ষেত্রে এমন বিমাতা সুলভ আচরণ কেন? এখন রাজনীতির সময় নয়। শুধু টুইট করেই সব দায়িত্ব শেষ হয় না। দ্রুত এগিয়ে এসে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করুক কেন্দ্র।