আমার শহর শিলিগুড়িঃ করোনা মহামারী মোকাবিলায় লকডাউনের কারনে গোটা দেশ চরম সঙ্কটের সম্মুখীন। একই ভাবে আমাদের প্রিয় শহরও স্তব্ধ। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে গরীব অসহায় সকলের অবস্থা দুর্বিষহ। তাদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন থেকে শুরু করে প্রশাসন, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বিশিষ্ট ব্যক্তি বর্গ। যাদের নাম হয়তো বলে শেষ করা যাবে না।
এদেরই মধ্যে একজন হলেন পর্যটন মন্ত্রী শ্রীগৌতম দেব মহাশয়। এই সংকটে যাকে এক মুহূর্ত বসে থাকতে দেখা যায় নি। কখনো এই ওয়ার্ড তো কখনো সেই ওয়ার্ড। কখনো উত্তরকন্যায়, তো কখনো নিউ জলপাই গুড়ি রেলস্টেশন, আবার কখনো বা সরাসরি হাসপাতাল তো কখনো অনুদানে। শিলিগুড়ি শহরের এই সংকটময় মুহূর্তে যে কোন সমস্যা মানেই গৌতম দেব। এরই মাঝে নিজের মনকে শান্তি দিতে কখনো গাইছেন গান, আবার কখনো আবৃতি। নির্দ্বিধায় যেভাবে তিনি করোনা সংক্রামিত এলাকায় ঘুরে ঘুরে সকল সমস্যার সমাধান করছেন, তা তাঁর শরীরের ক্ষেত্রেও বিপজ্জনক হতে পারে। মন্ত্রী গৌতম দেব জানান করোনা সংক্রমণ ক্রমশ বাড়ছে। এক্ষেত্রে কেন্দ্রের যাবতীয় মুল্যায়ন ভুল। সচেতনতাই একমাত্র উপায়। সকল শহরবাসীকে সচেতন হতে হবে। কর্মসুত্রে নানান প্রশাসনিক বৈঠকে যেতে হচ্ছে মন্ত্রী গৌতম দেবকে। কথাও বলতে হচ্ছে একাধিক মানুষের সাথে। এ প্রসঙ্গে তিনি জানান যে তিনি নিজেও যথেষ্ট সচেতন। যতটুকু প্রয়োজন সচেতনতা মেনেই সব করছেন। প্রয়োজন ছাড়া ভিড়ে যাওয়া বা স্বাস্থ্য বিধির পরিপন্থী কাজ তিনি করছেন না। সকল শহরবাসী সহ সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদেরও তিনি বলেন, আপনারা সবাই সাবধানে থাকুন। মাস্ক, স্যানিটাইজার সবসময় ব্যবহার করুন।গৌতম দেব আরো বলেন- শিলিগুড়িতে প্রশাসনিক বোর্ডের চেয়ারম্যানের পদ সরকার মনোনীত পদে বসে রাজনীতি করছেন অশোক ভট্টাচার্য। তার উচিত প্রাক বর্ষায় শহরের ড্রেনগুলির সংস্কারে মন দেওয়া। এটি রাজনীতি করবার সময় নয়। কাজ করবার সময়। আর কাজের জন্য রাজ্য সরকার সবরকম সাহায্য করবে।
করোনা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন জোড় বিজোর পদ্ধতিতে ধীরে ধীরে শহরের দোকানপাটগুলো খুলবে। কিন্তু মানুষকে সচেতন হতে হবে। রেগুলেটেড মার্কেটে যারা সব সময় যাচ্ছেন তাদের ও সচেতন থাকতে হবে। সেখানে স্বাস্থ্যবিধি ঠিক মতো মানা হচ্ছে কিনা তা দেখবারও নির্দেশ তিনি দিয়েছেন।
আমরা শহরবাসী গৌতম দেব স্যারকে সুস্থ সবল দেখতে চাই। এভাবেই তিনি শহরবাসীর জন্য কাজ করে চলুক। আপনি সুস্থ থাকুন স্যার।