আমার শহর শিলিগুড়িঃ করোনা মহামারী মোকাবিলায় লকডাউনে কলেজ গুলোর সেমিস্টার এবং ফাইনাল পরীক্ষাগুলি কী ভাবে নেওয়া হবে, সে বিষয় নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সরকার তাদের স্বায়ত্তশাসনে হস্তক্ষেপ করবে না বলে জানালেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা তাঁকে জানিয়েছেন যে, ইতিমধ্যেই ফ্যাকাল্টি সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সেমিস্টার পরীক্ষা করার জন্য কাজ শুরু করে দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন “বিশ্ববিদ্যালয়গুলি তাদের অনুমোদিত কলেজগুলি খোলার দিন এবং চূড়ান্ত সেমিস্টার পরীক্ষা পরিচালনার পদ্ধতি সম্পর্কে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নেবেন। এক্ষেত্রে এই বিষয়টি নিশ্চিত হলো যে কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় গুলোয় পরীক্ষা কিভাবে এবং কোন পদ্ধতিতে নেওয়া হবে তা নির্ধারণ করবে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ।
মন্ত্রী বলেন, করোনা সঙ্কটের পরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে উপস্থিতি এবং অভ্যন্তরীণ মূল্যায়নের বিষয়গুলি মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিবেচনা করতে হবে।
উপাচার্যরা সেমিস্টার এবং অ্যাকাডেমিক ক্যালেন্ডার নিয়ে আলোচনা করার জন্য শুক্রবার বৈঠক করেন। তাঁরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে তাদের সুপারিশ সম্পর্কে উচ্চশিক্ষা বিভাগকে জানাবেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।
পশ্চিমবঙ্গের উপাচার্য কাউন্সিল-এর সাধারণ সম্পাদক শ্রীসুবীরেশ ভট্টাচার্য বলেন, বৈঠকে রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা উপস্থিত ছিলেন । খুব শীঘ্রই এই পরীক্ষা সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রীদের যাবতীয় অনিশ্চয়তা কেটে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এদিকে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজ গুলোর ছাত্র ছাত্রী দের একাংশ এই করোনা সঙ্কটে পরীক্ষা বাতিলের কথা বলছে। তাদের যুক্তি এই মুহূর্তে পরীক্ষা নেওয়া হলে ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়বে। যদিও ৩০ শে জুন পর্যন্ত বন্ধ সমস্ত স্কুল-কলেজ। এই অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় গুলো কি সিদ্ধান্ত নেয় তার দিকে তাকিয়ে ছাত্র-ছাত্রীরা।