ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া নামে একটি গ্রামে। সেখানে স্বাস্থ্যকর্মীরা করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন করতে গিয়ে খবর পায় যে তিনি ফার্নিচার কিনতে চট্টগ্রাম শহরে গেছেন।শনিবার সকালে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মুরাদনগরে পুলিশ আক্রান্তের বাড়ি লকডাউন করতে গিয়ে এ তথ্য পেয়েছে।
রাঙ্গুনিয়া থানার এস.আই.জানান “শুক্রবার রাঙ্গুনিয়ার চার ব্যক্তির রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। নিয়ম অনুযায়ী আমরা বাকি তিন ব্যক্তির বাড়ি লকডাউন করে যখন চতুর্থ ব্যক্তির বাড়িতে যাই তখন জানতে পারি উনি ফার্নিচার কিনতে চট্টগ্রাম শহরের জুবিলি রোডে গেছেন।”
যাওয়ার আসার পথে তিনি অনেককে আক্রান্ত করে থাকবেন। যা অত্যন্ত আতঙ্কের কারন। আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান যে শহরে এক আত্মীয়ের খালি বাসায় তিনি আইসোলেশনে থাকবেন। রাঙ্গুনিয়ার মুরাদনগর গ্রামের ওই ব্যক্তি পেশায় একজন ফার্নিচার ব্যবসায়ী। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি নমুনা দিয়েছি দুই তারিখ। আজকে সকাল পর্যন্ত জানতাম না যে আমার রিপোর্ট পজিটিভ। জানি না বলেই শহরে ফার্নিচার কিনতে আসছি। এখন শহরে আমার এক আত্মীয়ের খালি বাসায় আমি আইসোলেশনে চলে যাব।’
তিনি শহরে আসার পথে গণপরিবহনও ব্যবহার করেছেন বলে জানিয়েছেন।
উপসর্গ থাকার পরও আইসোলেশনে না থেকে আপনি ঘুরাঘুরি করছিলেন কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আইসোলেশনে যে থাকতে হয় সেটাই তিনি জানতেন না।’

ছবিঃ প্রতীকি।