সদ্য মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ছাত্রীকে গণধর্ষণ করে খুন করার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায় উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থানার অন্তর্গত কালাগছ এলাকার চতুরাগছ গ্রামে। মৃত ছাত্রীর নাম মাম্পি সিংহ। খবর সূত্রে প্রকাশ শনিবার রাতে ওই নাবালিকা ছাত্রীকে বাড়ি থেকে অপহরণ করা হয় এবং তারপর গণধর্ষণের পর বিষ খাইয়ে খুন করে স্থানীয় একটি চা বাগান সংলগ্ন বটগাছের নিচে ফেলে রেখে চলে যায় একদল দুষ্কৃতী। স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবী ঘটনাস্থল থেকে দুস্কৃতিদের মোবাইল ফোন,সাইকেল এবং পরিচয় পত্র পাওয়া গিয়েছে। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং দোষীদের চরম শাস্তির দাবিতে প্রথমে ওই এলাকার রাজ্য সড়ক এবং পরে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। রাস্তা জুড়ে টায়ার জ্বালিয়ে,বাস পুড়িয়ে এলাকাবাসীরা বিক্ষোভ দেখায়। বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠি চার্জও করে। পুরো ঘটনার তদন্তে নেমেছে উত্তর দিনাজপুর জেলা পুলিশ। দোষীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে অনড় থাকে স্থানীয়রা।
এদিকে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে উঠে আসে ঠিক উল্টো ঘটনা। ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশের ফেসবুক পেজে এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে যে -“আজ সকালে ইসলামপুর জেলার পুলিশ চোপড়া থানা এলাকায় এক কিশোরীর মৃত্যুর খবর পায়। পরিবারের সদস্য বা অন্য কোনও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি পুলিশকে জানায়নি। পুলিশ পরিবারের সাথে যোগাযোগ করে মৃতদেহটি ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। ম্যাজিস্ট্রেট দ্বারা ময়না তদন্তের অনুসন্ধান করা হয়েছে। ময়না তদন্ত অনুযায়ী মৃত্যুর কারণ হল “বিষ ক্রিয়া” এবং শরীরে কোথাও আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। যৌন বা শারীরিক নির্যাতনেরও কোন চিহ্ন নেই। কিন্তু এলাকাবাসীদের কথায় অন্য সুর। আর তার কারনেই এই বিক্ষোভ প্রদর্শন।