আমার শহর শিলিগুড়িঃ

কথায় আছে

“মানুষ বৃদ্ধ না হইলে সুন্দর হয় না”
এই সত্যটা হয়তো সাধারণ মানুষের বোধগম্যের বাইরে। দর্শন এবং সাহিত্য নিয়ে যারা চর্চা করেন তারা বুঝবেন এর অন্তর্নিহীত অর্থ। কিন্তু কোন সংবাদমাধ্যম যখন এই সত্যটা উপলব্ধি করতে অক্ষম হয় তখন সত্যিই দুঃখ হয়। চটকদার আর মশালা মিশ্রিত খবরে অনেক সংবাদ মাধ্যমই এইমুহূর্তে প্রথম সারিতে চলে এসেছে। জনপ্রিয়তার দম্ভে তাঁরা ভুলে গিয়েছে সামান্য সৌজন্যবোধ টুকুও। একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব যিনি তাঁর সারা জীবন রাজনীতিকে উৎসর্গ করলেন তাঁর নামের আগে এই “বুড়ো” শব্দের ব্যবহার একটি সংবাদ মাধ্যমের রুচি বোধের প্রকাশ পায়। কোনও বিষয় লিখবার সময় ভাষা এবং শব্দের প্র‍য়োগ পাঠকের মনে দাগ কাটে। এটা সংবাদ মাধ্যমের বোঝা উচিত। সেই সাথে এটাও মনে রাখা দরকার দেশ চালাতে অভিজ্ঞতার দরকার হয়। নতুন মুখের নয়। সেকারনেই দেশের রাস্ট্রপতি বা সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে কেবল বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিদেরই প্রাধান্য দেওয়া হয়ে থাকে। মাননীয় শ্রী অশোক ভট্টাচার্য মহাশয়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং তাঁর অভিজ্ঞতা নিয়ে কোন প্রশ্ন থাকবার কথা নয়। ঠিক যেমনটি রয়েছে মাননীয় পর্যটন মন্ত্রী শ্রী গৌতম দেব মহাশয়েরও। তিনিও অভিজ্ঞ এবং সন্মানীয়। কিন্তু তাঁদের সমালোচনা বা তাঁদের নিয়ে লিখবার সময় তাদের সন্মান দেবার চেষ্টা করবেন।
“বুড়ো অশোক” নয়, বলুন “বয়োজ্যেষ্ঠ অশোক বাবু”।