রুহনীল বসুঃ রাস্তার পাশেই চা-এর দোকান। তবে দোকান মালিক সাধারণ নয়। তিনি একজন ইঞ্জিনিয়ার। যে ইঞ্জিনিয়র চাকরি করেছেন অনেক নামী দামী কোম্পানিতে। এমনকি উইপ্রোতেও ছিলেন তিনি। তবে তাঁর আর্থিক অবস্থা এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধার কোন অভাব ছিল না। অভাব ছিল শুধু মনের শান্তির। আর সেই শান্তির খোজে কাজে মন বসাতে না পেরে শেষে চাকরির ছেড়ে রাস্তার ধারে চায়ের দোকান দিয়ে ফেলেন তিনি। দোকানটির নাম ইঞ্জিনিয়ার চা-ওযালা
ইঞ্জিনিয়র চা-ওয়ালার পরিচয় থেকে চাকরি ছেড়ে চা দোকান খোলার ইতিহাস সবই লেখা রয়েছে এই টি-স্টলের গায়ে। লেখা আছে, “আমি একজন সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়র। উইপ্রো-সহ অনেক সংস্থাতেই চাকরি করেছি এবং অনেক টাকা বেতনও পেয়েছি কিন্তু মনে শান্তি পাইনি।
এই দোকানের কথা ছবিসহ প্রথম ট্যুইট করেন আই.এ.এস অফিসার অবনীশ শরণ। তিনি ক্যাপশনে লেখেন, “আজকের সময়ে এত সততা খুব কমই দেখা যায়। নিজের সব কথা ইনি লিখে দিয়েছেন।”দোকানটি মহারাষ্ট্রের নাগপুরে অবস্থিত।
চায়ের পাশাপাশি ওই দোকানে সাউথ ইন্ডিয়ান কফিও পাওয়া যায়। যার দাম ১৫ টাকা। এছাড়াও দুই রকমের চা রয়েছে দোকানে। ইমিউনিটি চা এবং মসালা চা। প্রতি কাপের দাম ৮ টাকা। এছাড়াও এখানে বিক্রি হয় নাগপুরি নরি পোহা। যার দাম ১২ টাকা প্রতি প্লেট। এই ইঞ্জিনিয়ার ছেলেটি নিজের মানসিক শান্তির জন্য এধরনের পেশার পরিবর্তন তাঁর সাহসিকতার পরিচয় বহন করে। এর জন্য অনেক মানুষই তাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। যাকে নিয়ে এত হৈচৈ সেই লোকটি আসলে কে তা কিন্তু এখনো কিছুই জানা যায় নি। তিনি নিজেকে অজ্ঞাতই রেখেছেন।