সুহানী পালঃ ২০১৩ সালে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বরের সঞ্জু কুন্ডু মাধ্যমিক পরীক্ষায় স্টার পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। উচ্চমাধ্যমিকেও তিনি প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। ২০১৫ সালে জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষা দিয়ে তিনিই সসম্মানে উত্তীর্ণ হয়েছিলেন এবং পরবর্তীকালে ভর্তি হন জলপাইগুড়ির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। পড়াশোনা চালানোর জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছিলেন ১ লক্ষ ২৪ হাজার টাকা। ঋণ শোধ করা হয়নি, ইতিমধ্যে তার বোনের বিয়েও ঠিক হয়ে যায়। ঋণ না দিতে পেরে ঋণের পরিমাণ পৌঁছে যায় দু লক্ষ টাকায়। অনেক চেষ্টা করেও জোটেনি কোন চাকরি। একদিকে অসুস্থ বাবার ঔষধ খরচ প্রতিমাসে ২,৩০০ টাকা। একদিকে বাবার ওষুধের টাকা অন্যদিকে ব্যাঙ্কের টাকা। প্রতিমাসে এতগুলো টাকা কোথা থেকে জোগাড় করবে সে? করোনা আবহে সর্বত্র পরিস্থিতি খারাপ। নেই কোন সরকারি সাহায্যের আশ্বাস। তাই সবদিক ভেবে চিন্তে বাধ্য হয়ে ফুটপাতে চায়ের দোকান খুলে বসে মেধাবী ইঞ্জিনিয়ার ছাত্র সঞ্জু।