রুহনীল বসুঃ শিলিগুড়িতে অধ্যাপকের বিরুদ্ধে টাকা নিয়ে পরীক্ষায় পাশ করিয়ে দেবার অভিযোগে উত্তাল সোস্যাল মিডিয়া। তার অডিও ক্লিপ ছড়িয়ে পড়বার পরই শহর জুরে শুরু হয়েছে হৈ চৈ।
এই অডিও ক্লিপের জন্য আজ আমাদের চোখ খুলেছে। কিন্তু এমন প্রচ্ছন্ন ঘটনাতো আমাদের চোখের সামনে হামেশাই ঘটছে। আমরাও এই ব্যবস্থা বা সিস্টেমকে আমাদের শিক্ষার অঙ্গ হিসেবে নিয়েই এগিয়ে চলেছি।
এমন অনেক খবর আছে যা প্রকাশ পায় না। যেমন আমার কাছে টিউশন পড়লে প্রোজেক্টে নাম্বার বেশী দেবো। আর একারনেই কলেজের কিছু অধ্যাপকদের বাড়িতে টিউশন নিতে ছাত্র ছাত্রীদের লাইন পড়ে যায়। তাদের প্রতিও সেই অধ্যাপকদের আলাদাই স্নেহ থাকে। আর যেসব গরীব ছাত্র- ছাত্রী টিউশন নিতে পারে না তাদের হতে হয় নানান সমস্যার সম্মুখীন। একজন সান্মানিক (অনার্স) এর স্টুডেন্ট এর কাছ থেকে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা টিউশন ফি-ও নিয়ে পড়াচ্ছেন কলেজের কিছু স্থায়ী অধ্যাপক। কলেজের একজন স্থায়ী অধ্যাপকের বেতন কি এতই কম যে তাকে আলাদা করে বাড়িতে কোচিং পড়াতে হবে? তবু্ও তাঁদের টাকার দরকার। আর স্টুডেন্টদের দরকার মার্কস। তাই বাধ্য হয়েই স্টুডেন্টদের পড়তে হচ্ছে। কারন প্রোজেক্ট-এ ভাল মার্কস তুলতে হবে। পাশ করানোর জন্য টাকা চাওয়ার বিষয়টির অডিও ক্লিপ আজ সামনে আসাতে সকলে এটা নিয়ে ভাবছে। আর অধ্যাপকেরা যখন স্টুডেন্টদের প্রোজেক্ট-এ বেশী মার্কস তুলবার জন্য প্রচ্ছন্ন ভাবে তাঁদের টিউশন পড়তে বাধ্য করে টাকা নিচ্ছেন, সেটা কি অন্যায় নয়?

আমরা বলবো শিক্ষিত বেকার প্রাইভেট শিক্ষকেরা শত গুণে ভাল। তারা অন্তত টাকা নিয়ে শিক্ষাটা দিচ্ছে। শিক্ষা বিক্রি করছে না।