নীলাঞ্জন সেনগুপ্তঃ গরু পাচার চক্রে বি.এস.এফ. আধিকারিক সতীশ কুমার সহ আরও ১২ জন আধিকারিকের নাম সি.বি.আই. তদন্তে উঠে এল। এর মধ্যে ৭ জন বি.এস.এফ অফিসার এবং ৫ জন কাস্টমস অফিসার। এই ১২ জন অফিসারের মদতেই গত ২ বছর ধরে চলছে গরু পাচার। এর মধ্যে অন্যতম অভিযুক্ত এনামুল শেখ সহ আরও তিন জন। যারা গরু প্রতি বি.এস.এফ.কে দিত ২০০০ টাকা এবং কাস্টমসকে দিত ৫০০ টাকা।
২২ সেপ্টেম্বর আসানসোল আদালত থেকে তল্লাশির অনুমতি নিয়ে সিবিআই অভিযুক্ত এনামুলের কলকাতার কয়েকটি ঠিকানা, আস্তানা এবং মুর্শিদাবাদের কয়েকটি স্থানে তল্লাশি চালায়। সিবিআইয়ের দাবি, এনামুল গরু পাচারের পাশাপাশি চাল কল, বাংলাদেশে চাল-পেঁয়াজ রপ্তানী আবাসন ও নির্মাণ শিল্প, পাথর খাদান, বালির কারবারে যুক্ত। তাঁর একটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে প্রাপ্ত টাকা দেখে সিবিআই হতবাক। ১৩০ কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছে তার অ্যাকাউন্টে। এছাড়া অন্য একটি অ্যাকাউন্টে পাওয়া গেছে ১০ লক্ষ ডলার। নামে-বেনামেও বহু সম্পত্তির হদিস মিলেছে। সিবিআই কর্তারা জানাচ্ছেন, দুই একটি অ্যাকাউন্টেই যদি এই পরিমাণ টাকা থাকে তবে এনামুল বাহিনীর হাতে কী পরিমাণ নগদ রয়েছ তা কল্পনাতীত। সিবিআই প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করছে এই টাকা জঙ্গি প্রশিক্ষণ শিবিরের কাজে লাগানো হয়।