মৃত্যুঞ্জয় রুদ্রঃ সোস্যাল মিডিয়া কিভাবে তিলকে তাল করে পরিবেশন করে তার উদাহরণ পাওয়া গেল মেক্সিকো সিটির এই ঘটনায়। মেক্সিকো শহরে কোমড় বেঁধে ড্রেন পরিস্কারের কাজে নেমেছিলেন সাফাই কর্মীরা। আচমকাই ড্রেন থেকে উঠে এল এক ‘রাক্ষুসে ইঁদুর’ যা উচ্চতায় একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সমান। মেক্সিকো শহরের ড্রেন থেকে ২২ টন আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ করছিলেন সাফাই কর্মীরা। তখনই দেখা মেলে এই দানবীয় ইঁদুরের। এর আগে গোটা বিশ্বের কোথাও এত বড় ইঁদুরের দেখা মেলেনি। স্বাভাবিকভাবেই চক্ষু চড়কগাছ সাফাইকর্মীদের। ড্রেন থেকে উদ্ধার করার পর সেই বিশাল ইঁদুরকে দেখতে ভিড় জমান শহরবাসী। সেই সাথে সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় সেই ইদুরের ছবি। সামাজিক দূরত্ব ভুলে রাক্ষুসে ইঁদুর দেখার জন্য উত্তেজনায় রাস্তাজুড়ে রীতিমত ঠেলাঠেলি- ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে বিশাল পুলিশ বাহিনী।

সেই সাথে সোস্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় সেই ইঁদুরের ছবি। তবে শুধু এই রাক্ষুসে ইঁদুর দেখা গেছে বলে তার ছবি – ব্যাস এইটুকুই। পুরো বিষয়টি কিন্তু অনেকেই তুলে ধরেনি। কারন মশালা মিশ্রিত খবরের প্রতি মানুষের স্বাভাবিক আগ্রহ থাকে। তাহলে শুনুন আসলে কি তা সত্যিই রাক্ষুসে ইঁদুর ছিল?

সোস্যাল মিডিয়া জুরে এই রাক্ষুসে ইঁদুরের ছবি ভাইরাল হলেও পরে জানা যায় তা আসলে খেলনা ইঁদুর। যা হ্যালউইন প্রপ হিসেবে বানানো হয়েছিল। আর সেটাই কোন ভাবে নর্দমায় আটকে গিয়েছিল। যার কারনে নর্দমার জল নিকাশি ব্যবস্থা ব্যহত হয়ে পড়েছিল।