মৃত্যুঞ্জয় রুদ্রঃ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় তাঁর প্রশাসনিক বৈঠক শেষ করে চলে গেলেন কলকাতায়। আর এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকের সমালোচনা করে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন শিলিগুড়ি পৌরনিগমের প্রশাসক বোর্ডের চেয়ারম্যান অশোক ভাট্টাচার্য। আজ শিলিগুড়িতে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, এসব কোন প্রশাসনিক বৈঠক নয়, আসলে সরকারি খরচে চলছে দলীয় সভা। তবে এসব করে তাদের প্রত্যাশা কখনো পূরণ হবে না। তিনি আরও জানান, আমরা দেখা করতে সময় চেয়েছিলাম। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী আমাদের সময় দেননি। যদিও প্রশাসনিক বৈঠকে আমায় ডাকা হয়েছিল। কিন্তু বাকী বিরোধী দলের বিধায়কদের কেন ডাকা হল না? আমরা জানি সেখানে বিস্তারিত আলোচনার কোন সুযোগ থাকবে না। এতদিন কোন আলোচনা বা বৈঠকে আমাদের ডাকা হয় নি, তাই এই প্রশাসনিক সভায় ডাক পেয়েও যাইনি। আমাদের এই সিদ্ধান্তই হল আমাদের “নীরব প্রতিবাদ”। আর এই প্রতিবাদ চলছে চলবে।
অশোক ভট্টাচার্য আরও বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর পা ধরে তার কথা মতো চললে হয়তো অর্থ পেতাম। কিন্তু আমরা মাথা নত করবো না। লড়াই চালিয়ে যাবো। আর সরকারি খরচে দলীয় সভা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী তাই উত্তরবঙ্গের বিরোধীদের কাউকে ডাকা হয়নি।
অশোক ভট্টাচার্য আরও বলেন পাহাড়ে দেওয়া হয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থ। অথচ শিলিগুড়ির ক্ষেত্রে প্রাপ্তির ভাড়ার শূন্য। মুখ্যমন্ত্রীর তরফে নানান খাতে টাকা বিলি করা হলেও বাস্তবে তার প্রত্যাশা পূরণ হবে না। সব টাকা জলে যাবে। সব টাকা লুট হবে।

অশোক ভট্টাচার্য্যের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা তৃণমূল সভাপতি রঞ্জন সরকার জানান অশোকবাবুর নীরবতাই শিলিগুড়ির জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে। তাই তিনি নীরবই থাকুক। তিনি মুখ খুললে শিলিগুড়ির কোন উন্নয়ন নয় বরং ক্ষতিই হবে। তিনি আরও বলেন “কাজ করতে না চাইলে এবং কাজ করতে না পারলে দায়িত্ব ছেড়ে দিন।”