মৃত্যুঞ্জয় রুদ্রঃ দেশের প্রধান ধর্মাধিকরনের প্রাক্তন বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজুর বিতর্কিত মন্তব্যে হতবাক দেশবাসী। গোটা দেশ যখন গণধর্ষণের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে তখনই সেই পরিস্থিতিতে বিচারপতি বললেন –“যৌনতা পুরুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি। একজন পুরুষ বিয়ে করে সেই যৌনতার ক্ষুধা মেটায়। কিন্তু এই বেকারত্বের যুগে পুরুষের পক্ষে বিয়ে করাই কঠিন। আর এই যৌনতার ঘাটতি মেটাতেই দেশের যুবকদের ধর্ষণের মত জঘন্য অপরাধের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।”বাঃ কি সুন্দর যুক্তি তাই না? দেশের প্রাক্তন বিচারপতি হয়েও কি তিনি দেশের বেকারত্বের পরিসংখ্যান জানেন না? তাহলে তো এই সংখ্যা বেকার আর ধর্ষিতার সমান হয়ে দাড়াবে। বেকারত্ব এক গভীর সমস্যা। কিন্তু তা বলে ধর্ষণের একমাত্র কারন হতে পারে না। আর যারা এই ধর্ষণের ঘটনার সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের অধিকাংশই কি বেকার? স্যার -অশিক্ষা, কু-শিক্ষা,সমাজের পারিপার্শ্বিক অবস্থা, প্রশাসন এবং বিচার ব্যবস্থার প্রহসন এই বিষয়গুলো যে ধর্ষণের মতো জঘন্যতম অপরাধের প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ কারন সেটা একটা সাধারণ মানুষও বোঝে। আর আপনি এতদিন এত বড় একটি পদে থেকেও এমন দায়িত্ব জ্ঞান হীন যুক্তি দিলেন কিভাবে?

সুপ্রীম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি মার্কণ্ডেয় কাটজু