অনিবাস দেঃ অবশেষে বের হয়ে আসলো পাকিস্তানের আসল চেহারা। পাকিস্তানের এক সাংসদ ২৮ অক্টোবর,বুধবার পার্লামেন্টে দাবি করেন, ভারতের হামলার ভয়েই ইমরান খান সরকার হঠাত্‍‌ মুক্তি দেয় ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলট উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানকে। বালাকোট হামলার পরপরই ভারত-পাকিস্তানের পাইলটদের মধ্যে লড়াইয়ের সময় বিমান ভেঙে পাকসেনার হাতে ধরা পড়েন অভিনন্দন। জাতীয় সংসদে এক ভাষণে পাকিস্তান মুসলিম লিগ-নওয়াজ নেতা আয়াজ সাদিক বলেন, অভিনন্দন বন্দি হওয়ার পর পাক বিদেশমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বলেছিলেন, ‘অভিনন্দন বর্তমানকে মুক্তি না দিলে, ভারত পাকিস্তানের উপর হামলা করবে।’ এ-ও বলা হয়েছিল, ওই দিন রাত ৯টার মধ্যে ভারত প্রত্যাঘাত করবে। পিএমএল-এন নেতা সাদিককে উদ্ধৃত করে এমন একটি খবর প্রকাশিত হয়েছে দুনিয়া নিউজে।
পিএমএল-এন নেতার কথায়, ‘আমার এখনও স্পষ্ট মনে আছে কুরেশির ওই বৈঠকে ইমরান খান থাকতে অস্বীকার করেন। বৈঠকে এসেছিলেন পাকসেনা প্রধান। তিনি তখন দরদর করে ঘামছেন। বিদেশমন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত সকলের উদ্দেশে বলেন, ‘আল্লার দোহাই, অভিনন্দকে যেতে দিন। না হলে রাত ৯টার মধ্যে ভারত পাকিস্তানের উপর হামলা চালাবে। উল্লেখ্য ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাকিস্তানি হামলা রুখতে গিয়ে পাকিস্তানের হাতে ধরা পড়েন ভারতীয় বায়ুসেনার পাইলট অভিনন্দন বর্তমান। তার ঠিক ১২ দিন আগে পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় সিআরপিএফের ৪০ জওয়ান শহিদ হন। পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দিতে ভোররাতের অন্ধকারে বালাকোটে, পাকিস্তানের মাটিতে ঢুকে এয়ারস্ট্রাইক চালিয়েছিল বায়ুসেনা। তার পরদিন পাক যুদ্ধবিমানকে ধাওয়া করতে গিয়ে বিমান ভেঙে ধরা পড়েছিলেন অভিনন্দন। তিন দিন তাঁকে হেফাজতে রেখেছিল পাকিস্তান। পরে শান্তি ও সৌজন্যের বার্তার উল্লেখ করে তাঁকে ছেড়ে দেয় পাকিস্তান। আসলে তা নয়। পাকিস্তান ভারতের আক্রমণের ভয়েই উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানকে ছেড়ে দিয়েছিল।